অবশেষে চলে গেলেন আমজাদ হোসেন — all-banglanews
মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯
হোম / বিনোদন / অবশেষে চলে গেলেন আমজাদ হোসেন

অবশেষে চলে গেলেন আমজাদ হোসেন

অবশেষে চলে গেলেন আমজাদ হোসেন
অবশেষে চলে গেলেন আমজাদ হোসেন

দীর্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন কিংবদন্তির চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার, অভিনয়শিল্পী এবং লেখক আমজাদ হোসেন। আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজেউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী আর ২ ছেলেকে রেখে গেছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের স্ত্রী রাশেদা আক্তার লাজুক। তিনি জানান, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ায় গত ১৮ নভেম্বর রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শুরু থেকেই তাকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাংককে।
জানা যায়, বাংলাদেশের বরেণ্য এই নির্মাতার শারীরিক অসুস্থতার খবর শুনে হাসপাতালে ভর্তির ৩ দিনের মাথায় তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর আমজাদ হোসেনের উন্নত চিকিৎসার খরচ বাবদ ২০ লাখ টাকা এবং এয়ার এম্বুলেন্সের ভাড়া বাবদ ২২ লাখ টাকা পরিবারের হাতে তুলে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় আমজাদ হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক নেয়া হয়। ২৭ নভেম্বর মধ্যরাতে এয়ার এম্বুলেন্সে করে তাকে ব্যাংককে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে তিনি প্রখ্যাত নিউরোসার্জন টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরলোক গমন করেন।
চলচ্চিত্র পরিচালক এস এ হক অলিক জানান, শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালের চিকিৎকরা আমজাদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এই সময় তার ২ ছেলে সোহেল আরমান ও সাজ্জাদ হোসেন দোদুলও সেখানে ছিলেন।
১৯৪২ সালের ১৪ অগাস্ট জামালপুরে জন্ম নেয়া আমজাদ হোসেন চিত্র পরিচালনার বাইরে লেখক, গীতিকার, অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত। ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে ১৯৬১ সালে রুপালি পর্দায় তার আগমন। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় তিনি বেশি সময় দেন। ১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘খেলা’। সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’র চিত্রনাট্য লেখায় জহির রায়হানের সঙ্গে আমজাদ হোসেনও ছিলেন।
আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমনি’ ‘ভাত দে’ ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ‘সুন্দরী’ ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ ‘দুই পয়সার আলদা’ ‘কসাই’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রও দর্শক ও বোদ্ধামহলের প্রশংসা পায়। তার লেখা ও নির্মিত টিভি নাটকও ছিল জনপ্রিয়। গান লেখায়, চিত্রনাট্যে ও পরিচালনায় ৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এছাড়াও তিনি একুশে পদক লাভ করেন।

এবিএনওয়ার্ল্ড/আলিফ

চেক করুন

বিজিএমইএ’র নির্বাচন ৬ এপ্রিল

বিজিএমইএ’র নির্বাচন ৬ এপ্রিল

আগামী ৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তৈরি পোশাক উৎপাদক ও রফতানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ এর …

অবশেষে জয় পেল খুলনা

অবশেষে জয় পেল খুলনা

প্রথম চার ম্যাচ হারের পর অবশেষে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ আসরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *