অরিত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী ৩ শিক্ষক চিহ্নিত — all-banglanews
বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
হোম / ক্যাম্পাস / অরিত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী ৩ শিক্ষক চিহ্নিত

অরিত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী ৩ শিক্ষক চিহ্নিত

অরিত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী ৩ শিক্ষক চিহ্নিত
অরিত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী ৩ শিক্ষক চিহ্নিত

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচনাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখাপ্রধান জিনাত আক্তার এবং এক শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে চিহ্নিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা তদন্ত কমিটি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছে কমিটি। আজ বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ওই তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করতে পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়ের কমিটি। এই তিন শিক্ষকের এমপিও স্থগিত করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ৩ ডিসেম্বর রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফকে প্রধান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি করেছিল। ৩ দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। এর আগেই তারা প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের বিরুদ্ধে আরও নানা অনিয়মের বিষয় উঠে আসে। তিনি বলেন, কমিটি তাদের (৩ শিক্ষক) প্ররোচক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এখন পুলিশও হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারবে না। পরিচালনা কমিটিও বসে থাকতে পারবে না। তবে হাইকোর্ট এই ঘটনায় কমিটি গঠনের যে নির্দেশ দিয়েছেন, তা আজকের মধ্যেই করা হবে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখাপ্রধান জিনাত আখতার ও শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে আসামি করে পল্টন থানায় মামলা করেন অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী। অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর অভিযোগ, রবিবার পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করেছে, এমন অভিযোগে অরিত্রীকে সোমবার তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে সোমবার স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে দেয়া ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন। পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়নায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুঁলছে।
গত সোমবার অরিত্রীদের শান্তিনগরের বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা অরিত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। শিক্ষার্থী আত্মহত্যার ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা এই ঘটনার যথাযথ বিচার দাবি করেন। আজও সকাল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেইলি রোডের শাখার প্রধান ফটকে বিক্ষোভ শুরু করে কয়েক শ শিক্ষার্থী। তাদের সাথে যোগ দেন অনেক অভিভাবক।

এবিএন/এফএম

চেক করুন

একশ দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ

একশ দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ

ঠিক একশ’ দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর আইসিসি বিশ্বকাপ। আগামী ৩০ মে …

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি

একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৯ যথাযথ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *