অবশেষে ১১ এপ্রিল পর্যন্তই গার্মেন্টস বন্ধ থাকছে : মধ্যরাতে সিদ্ধান্ত – ABNWorld
ঢাকা । শনিবার, ৬ জুন, ২০২০, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
হোম / অর্থনীতি / অবশেষে ১১ এপ্রিল পর্যন্তই গার্মেন্টস বন্ধ থাকছে : মধ্যরাতে সিদ্ধান্ত

অবশেষে ১১ এপ্রিল পর্যন্তই গার্মেন্টস বন্ধ থাকছে : মধ্যরাতে সিদ্ধান্ত

১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকছে গার্মেন্টস ও বিকেএমইএভুক্ত কারখানা

অবশেষে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত গার্মেন্টস কারখানা বন্ধই থাকছে। দিনভর নানা নাটকীয়তার পর শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে। এর আগে রাতেই বাংলাদেশ পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক এক অডিও বার্তায় বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের অনুরোধ জানান। এর পর বেশ কয়েকজন কারখানা মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা কারখানা আপাতত বন্ধই রাখবেন। তবে কারখানা বন্ধ রাখার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে শ্রম মন্ত্রণালয় অবহিত নয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম। গতরাত ১১ টায় তিনি বলেন, আমি খবরটি কেবলই জানলাম। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।অবশ্য তাদের জানা না জানার বিষয়টি এখানে কোন প্রভাব পড়বে না।
এদিকে বিজিএমইএর পর কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনও (বিকেএমইএ)। রাত ১২ টার দিকে সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকারি ছুটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিকেএমইএভুক্ত কারখানাও ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এর মধ্যেই শ্রমিকরা বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকার পথে ছুটে এসেছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেকে পায়ে হেঁটেই মাইলের পর মাইল পাড়ি দিয়েছেন। এ কারণে ভিড় বেড়েছে নৌ ঘাটেও। করোনাভাইরাসের এ দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কারখানা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেছেন, যেকোন পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা মার্চ মাসের বেতন পাবেন। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন শ্রমিক কাজে যোগ দিতে না পারলে, মানবিক বিবেচনায় তাদের চাকরিচ্যুত না করতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এসময় তিনি বলেন, এখন কোন ব্যাংক কারখানা মালিকদের টাকা দিতে চাইছে না। এ অবস্থায় কোন কারখানার বেতনের অর্থ পরিশোধে ৪-৫ দিন দেরি হলেও তা মেনে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
কেননা করোনা পরিস্থিতিতে বর্তমানে সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। এ কারণে সরকার ছুটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এরই মধ্যেই মানুষের ঢাকামুখী স্রোত করোনাভাইরাসের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়। অন্যদিকে কারখানা চালু রাখা হলে শ্রমিকরাও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হবে, তা আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। সময়মতো এ সিদ্ধান্ত হলে শ্রমিকরা হয়তো এ বিড়ম্বনার মুখে পড়তেন না। অন্যদিকে রাস্তা আর নৌ পথেও এত ভিড় বাড়তো না।

এবিএনওয়ার্ল্ড/এফআর

চেক করুন

নিজ ঘরে স্ত্রী-কন্যাসহ অবসরপ্রাপ্ত রাকাব কর্মকর্তার রক্তাক্ত লাশ

নিজ ঘরে স্ত্রী-কন্যাসহ অবসরপ্রাপ্ত রাকাব কর্মকর্তার রক্তাক্ত লাশ

এবার নিজ ঘরের ভেতরই স্ত্রী-কন্যাসহ রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে কুপিয়ে …

‘অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং বেশী যাত্রী উঠানো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল’

‘অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং বেশী যাত্রী উঠানো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণপরিবহনে অতিরিক্ত …