মাঝারি তাপদাহ অব্যাহত : তীব্র হওয়ার আশঙ্কা – ABNWorld
ঢাকা । বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
হোম / পরিবেশ / মাঝারি তাপদাহ অব্যাহত : তীব্র হওয়ার আশঙ্কা

মাঝারি তাপদাহ অব্যাহত : তীব্র হওয়ার আশঙ্কা

মাঝারি তাপদাহ অব্যাহত : তীব্র হওয়ার আশঙ্কা

গত সপ্তাহে দেশজুড়ে শুরু হওয়া মাঝারি তাপদাহ অব্যাহত রয়েছে। তবে দুএক দিনের মধ্যে এই তাপদাহ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তারা জানান, সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে গরম। তাপমাত্রা পৌঁছেছে মাঝারি তাপদাহের পর্যায়ে। তবে অন্য সময় তাপমাত্রা বাড়লে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে আসত। করোনাভাইরাসের আতঙ্কের কারণে এবারের তাপদাহে তেমন কোন প্রভাব দেখা যায়নি জনজীবনে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ৪ দিন ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। আর গতকাল রবিবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ও সর্বনিম্ন ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চাঁদপুরে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা আরও বেড়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এতে হতে পারে তীব্র তাপদাহ। আবহাওয়াবিদদের ভাষায়, ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত মৃদু তাপদাহ ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপপ্রবাহকে মাঝারি তাপদাহ বলা হয়। সাধারণত মৃদু বা মাঝারি তাপদাহের পর নিম্নচাপ তৈরি হয়ে ঝড় বা বন্যা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন আবহাওয়াবিদরা।
সাধারণত দেশে মৃদু তাপদাহে তীব্র গরমে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে আসে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হল, এবার তেমনটা অনুভূত হয়নি। জলবায়ুবিদরা বলছেন, করোনার প্রভাবে বিশ্বে স্থবিরতার কারণে তেমন অনুভূত হচ্ছে না তাপদাহ। বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক, জলবায়ুবিদ ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, অন্য সময় কলকারখানা, যানবাহনের কার্বন নিঃসরণ ও শীততাপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের অতি ব্যবহারের কারণে স্বাভাবিক তাপমাত্রা অনেক বেড়ে গিয়ে অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এসব বন্ধ থাকায় তাপমাত্রা বাড়লেও জনজীবনে তার প্রভাব পড়েনি।
এছাড়া ঢাকার অধিকাংশ মানুষ এখন গ্রামে অবস্থান করছেন। এতে মানুষের দেহের মাধ্যমে যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তার হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। যার কারণে তাপমাত্রা কম অনুভূত হচ্ছে বলেও যোগ করেন এই জলবায়ুবিদ।
সবুজ আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার বলছেন, করোনাভাইরাসের এই সময় অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাপী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ কার্বন নিঃসরণের উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণ করা গেলে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। রাজধানী ঢাকাকে অতিরিক্ত তাপদাহ থেকে রক্ষায় সব আবাসন প্রকল্পে ২৫ শতাংশ বনায়ন নিশ্চিত করণ ও সরকারি পতিত জমিতে বনায়নের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এবিএনওয়ার্ল্ড/নওরতন

চেক করুন

রাজধানীতে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ২

রাজধানীতে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ২

রাজধানীর বাংলামোটরে বিহঙ্গ বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ ২ জন নিহত আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত …

মুক্তিপণ চেয়েই হত্যা : আটক অপহরণকারীরা

মুক্তিপণ চেয়েই হত্যা : আটক অপহরণকারীরা

যশোরের অভয়নগর উপজেলার পোড়াখালি গ্রামের নুরুজ্জামান বাবুকে অপহরণ করার পর মুক্তিপণের চেয়ে হত্যা করা হয়েছে। …