সাজা ভোগের সময় থেকে হাজতবাস বাদ দিতে নির্দেশ – ABNWorld
ঢাকা । বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি
হোম / আদালত / সাজা ভোগের সময় থেকে হাজতবাস বাদ দিতে নির্দেশ

সাজা ভোগের সময় থেকে হাজতবাস বাদ দিতে নির্দেশ

সাজা ভোগের সময় থেকে হাজতবাস বাদ দিতে নির্দেশ
আসামির হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ। তিনি বলেন, ইউনুছ আলী নামে এক আসামিকে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। 
ইউনুছ আলীর আইনজীবী আপিল বিভাগকে জানান, এরই মধ্যে ইউনুছ আলী ২৬ বছর হাজত খেটেছেন। একটা কারণে প্রচলিত সিআরপিসির ৩৫(ক) ধারায় বলা হয়েছে, বিচারকালীন আসামি যতদিন হাজতবাস করবে, হাজতবাসের এ সময় মূল সাজা থেকে বাদ যাবে। এক্ষেত্রে ইউনুছ আলীর রায়ে ৩৫(ক) ধারা উল্লেখ করা ছিল না। পরে উচ্চ আদালতে আতাউর রহমান মৃধার রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৫(ক) ধারার সুযোগটা আসামিরা পাবেন।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপিল বিভাগ আজ বলেছেন, হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ যাবে। আদালত আসামি ইউনুছ আলী হাজতকালীন ও কারাদণ্ড ভোগের সময় যোগ করে যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তিনি মুক্তি পাবেন।
আমরা মামলা দেখব আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে : ভার্চুয়াল আদালতের সুযোগ নিয়ে আইনজীবী ছাড়াই একের পর এক বিচারপ্রার্থীর সর্বোচ্চ আদালতে সরাসরি দাঁড়িয়ে মামলা নিষ্পত্তির আবেদন করেন। সকালে আপিল বিভাগের বিচার কাজ শুরু হলে প্রথমেই দুই নারী বিচারপ্রার্থী দাঁড়িয়ে তাদের চাকরি সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করতে আবেদন করেন। 
মানবিক দৃষ্টি দিয়ে আদালতের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন তারা। তখন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, আমাদের আইনমাফিক চলতে হবে। মানবিক আবেদন করবেন সরকারের কাছে। আমরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখব না। আমরা দেখব আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে। মানবিক দৃষ্টিতে দেখবে সরকার। মানবিক এতটুকুই করতে পারব, মামলাটা তাড়াতাড়ি শুনব। পরে মঙ্গলবার (আজ) তাদের মামলাটি শুনানির জন্য দিন ঠিক করে দেন আপিল বিভাগ। 
ওই দুই নারীর আবেদনের পর আরেকজন বিচারপ্রার্থী দাঁড়ান তার আবেদন নিয়ে। তিনি নিজেকে বেকার যুবক দাবি করে বলেন, আমি বাংলাদেশ রেলওয়েতে চাকরির জন্য দরখাস্ত করেছিলাম। সেই মামলায় হাইকোর্ট থেকে রায় পেয়েছি। মামলাটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে। কিন্তু রেলওয়ে আমাদের নিয়োগ দিচ্ছে না। 
তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, এটা তো মহামুশকিল। আপনার আইনজীবী কই? এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, চেম্বার আদালতে আবেদন না দিয়ে আপিলে চলে এসেছেন কেন? একটা ফ্যাশন শুরু হয়ে গেছে আইনজীবী ছাড়া কোর্টে এসে দাঁড়িয়ে যাওয়া। 
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার আইনজীবী কে? জবাবে ওই বিচারপ্রার্থী বলেন, পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু। তখন বিচারপতি ইমান আলী বলেন, আপনার আইনজীবী থাকতে আপনি এখানে দাঁড়াতে পারেন না। 
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার মামলার অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড যিনি আছেন তাকে দিয়ে আবেদন দিন। 
এরপর আরেকজন আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি গরিব মানুষ। আমি মসজিদের মুয়াজ্জিন। আমি খুবই গরিব মানুষ। আমি মানুষের জাকাত-ফিতরা নিয়ে চলি। স্যার আমার মামলাটা বন্ধ হয়ে রয়েছে। যদি দয়া করে একটু দেখতেন। 
এভাবে আইনজীবী ছাড়া একের পর এক বিচারপ্রার্থী সরাসরি কোর্টে দাঁড়ানোয় অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এরপর থেকে যেসব আইনজীবীর ক্লায়েন্ট সরাসরি কোর্টে এসে দাঁড়াবে, আমরা তার সনদ বাতিল করে দেব। আগামীকাল থেকে যারা দাঁড়াবে তাদের আইনজীবী থাকলে তাদের সনদ আমরা ৫জন মিলে বাতিল করে দেব। 
আপনার আইনজীবী আছে কি না আদালতের এমন প্রশ্নের জবাবে ওই বিচারপ্রার্থী বলেন, উকিল আছে। অনেক টাকা চায়। তখন আদালত বলেন, আপনি আইনজীবী না রেখে থাকলে আপনারটা শুনব। আপনার মামলার নম্বর দিয়ে যান। পরে আদালত কার্যতালিকা অনুসারে শুনানি শুরু করেন।
এবিএনওয়ার্ল্ড/এফআর

আসামির হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ। তিনি বলেন, ইউনুছ আলী নামে এক আসামিকে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
ইউনুছ আলীর আইনজীবী আপিল বিভাগকে জানান, এরই মধ্যে ইউনুছ আলী ২৬ বছর হাজত খেটেছেন। একটা কারণে প্রচলিত সিআরপিসির ৩৫(ক) ধারায় বলা হয়েছে, বিচারকালীন আসামি যতদিন হাজতবাস করবে, হাজতবাসের এ সময় মূল সাজা থেকে বাদ যাবে। এক্ষেত্রে ইউনুছ আলীর রায়ে ৩৫(ক) ধারা উল্লেখ করা ছিল না। পরে উচ্চ আদালতে আতাউর রহমান মৃধার রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৫(ক) ধারার সুযোগটা আসামিরা পাবেন।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপিল বিভাগ আজ বলেছেন, হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ যাবে। আদালত আসামি ইউনুছ আলী হাজতকালীন ও কারাদণ্ড ভোগের সময় যোগ করে যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তিনি মুক্তি পাবেন।
আমরা মামলা দেখব আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে : ভার্চুয়াল আদালতের সুযোগ নিয়ে আইনজীবী ছাড়াই একের পর এক বিচারপ্রার্থীর সর্বোচ্চ আদালতে সরাসরি দাঁড়িয়ে মামলা নিষ্পত্তির আবেদন করেন। সকালে আপিল বিভাগের বিচার কাজ শুরু হলে প্রথমেই দুই নারী বিচারপ্রার্থী দাঁড়িয়ে তাদের চাকরি সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করতে আবেদন করেন।
মানবিক দৃষ্টি দিয়ে আদালতের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন তারা। তখন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, আমাদের আইনমাফিক চলতে হবে। মানবিক আবেদন করবেন সরকারের কাছে। আমরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখব না। আমরা দেখব আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে। মানবিক দৃষ্টিতে দেখবে সরকার। মানবিক এতটুকুই করতে পারব, মামলাটা তাড়াতাড়ি শুনব। পরে মঙ্গলবার (আজ) তাদের মামলাটি শুনানির জন্য দিন ঠিক করে দেন আপিল বিভাগ।
ওই দুই নারীর আবেদনের পর আরেকজন বিচারপ্রার্থী দাঁড়ান তার আবেদন নিয়ে। তিনি নিজেকে বেকার যুবক দাবি করে বলেন, আমি বাংলাদেশ রেলওয়েতে চাকরির জন্য দরখাস্ত করেছিলাম। সেই মামলায় হাইকোর্ট থেকে রায় পেয়েছি। মামলাটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে। কিন্তু রেলওয়ে আমাদের নিয়োগ দিচ্ছে না।
তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, এটা তো মহামুশকিল। আপনার আইনজীবী কই? এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, চেম্বার আদালতে আবেদন না দিয়ে আপিলে চলে এসেছেন কেন? একটা ফ্যাশন শুরু হয়ে গেছে আইনজীবী ছাড়া কোর্টে এসে দাঁড়িয়ে যাওয়া।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার আইনজীবী কে? জবাবে ওই বিচারপ্রার্থী বলেন, পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু। তখন বিচারপতি ইমান আলী বলেন, আপনার আইনজীবী থাকতে আপনি এখানে দাঁড়াতে পারেন না।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার মামলার অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড যিনি আছেন তাকে দিয়ে আবেদন দিন।
এরপর আরেকজন আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি গরিব মানুষ। আমি মসজিদের মুয়াজ্জিন। আমি খুবই গরিব মানুষ। আমি মানুষের জাকাত-ফিতরা নিয়ে চলি। স্যার আমার মামলাটা বন্ধ হয়ে রয়েছে। যদি দয়া করে একটু দেখতেন।
এভাবে আইনজীবী ছাড়া একের পর এক বিচারপ্রার্থী সরাসরি কোর্টে দাঁড়ানোয় অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এরপর থেকে যেসব আইনজীবীর ক্লায়েন্ট সরাসরি কোর্টে এসে দাঁড়াবে, আমরা তার সনদ বাতিল করে দেব। আগামীকাল থেকে যারা দাঁড়াবে তাদের আইনজীবী থাকলে তাদের সনদ আমরা ৫জন মিলে বাতিল করে দেব।
আপনার আইনজীবী আছে কি না আদালতের এমন প্রশ্নের জবাবে ওই বিচারপ্রার্থী বলেন, উকিল আছে। অনেক টাকা চায়। তখন আদালত বলেন, আপনি আইনজীবী না রেখে থাকলে আপনারটা শুনব। আপনার মামলার নম্বর দিয়ে যান। পরে আদালত কার্যতালিকা অনুসারে শুনানি শুরু করেন।

এবিএনওয়ার্ল্ড/এফআর

চেক করুন

কুমিল্লায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে কাউন্সিলরসহ নিহত ২

কুমিল্লায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে কাউন্সিলরসহ নিহত ২

কুমিল্লায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল এবং আওয়ামী লীগ নেতা হরিপদ সাহা …

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দূষিত শহর ভারতে : বাংলাদেশের অবস্থান চারে

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দূষিত শহর ভারতে : বাংলাদেশের অবস্থান চারে

বিশ্বের শীর্ষ একশ দূষিত শহরের মধ্যে ৯৪টিই চীন, ভারত ও পাকিস্তানের। এই ১০০ শহরের তালিকায় …